যমুনা গ্রুপ ইভ্যালিতে এক হাজার কোটি টাকা ইনভেস্ট করছে..?


নিউজ গত কয়েক মাস ধরেই ইভ্যালি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এখন আবার নতুন করে তারা হেডলাইনে চলে আসলো এই ১ হাজার কোটি টাকা ইনভেস্টমেন্ট হলে তাদের ভবিসৎ টা কেমন এ নিয়েই আজকে আমাদের প্রতিবেদন। 

আর যারা ক্রেতা আছি আমরা তাদের জন্য এটা আসলে কেমন সুফল বয়ে আনবে আর যারা অলরেডি অর্ডার করে অনেকদিন ধরে ঘুরছে ডেলিভারি পাচ্ছেন না কিংবা রিফান্ড পাচ্ছেন না তাদের জন্য এটা কি ধরনের সুখবর। 

এগুলো নিয়ে আজকের আলোচনা করব, তো শুরুতেই বলি এই ১ হাজার কোটি টাকা তারা একবারে ইনভেস্ট করবেন না যমুনা, এটা ফেস বাই ফেস করবে শুরুতে তারা 100 থেকে 200 কোটি টাকার মতো ইনভেস্টমেন্ট করবেন দেন ফেস বাই ফেস তারা ইনভেসমেন্ট করবে এবং আপ টু 1 হাজার কোটি টাকা মানে এক হাজার কোটি টাকা সর্বোচ্চ নেমেছে পর্যন্ত তারা ইনভেস্ট করবে। 

এটা দুই পক্ষ থেকে কনফার্ম করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মেজর নিউজপেপারে অলরেডি চলে এসেছে ধরে নিতে পারেন এটা কনফার্ম নিউজ এবং তারা অবশ্যই ইনভেসমেন্ট করবে অলরেডি তারা কিন্তু এবং যমুনা গ্রুপ এবং তারা একটি এমো ইউ সাইন করেছে 

কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ কয়েকটা সংস্থা এবং তাদের হতাশ করে এবং তারা জানায়, তাদের নিজস্ব সম্পদ থেকে তাদের ঋীন এর পরিমান বেশি, এ খবর টা শুনে অনেকেই হতাশ হয়ে যায় যারা অলরেডি অর্ডার করে রেখেছে টাকা পাইনি কিন্ত অনেক হতাশ হয়ে যাচ্ছিল অনেকে ধারণা করেছিল এই বন্ধ হয়ে যায় 

সেরকম একটা সময়ে যখন সবাই কিন্তু এখন কথা হচ্ছে এই ইনভেস্টমেন্ট ইভেলি কিভাবে কাজে লাগাবেন তাদের পক্ষ থেকে অল্প করে একটু ব্রিফিং দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে বলা হয়েছে যে ইভেলি এই টাকাটা ফিউচার বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এবং আরো নতুন নতুন বিজনেস অপরচুনিটি ক্রিয়েট করার কাজে তারা ব্যবহার করবেন তারা কিন্তু স্পষ্ট ভাবে বলেনি যে অতীতে যারা করেছে তাদেরকে রিফান্ড করবে কিংবা প্রোডাক্ট দেবে অবশ্যই দেবে

এটা না বললেও দেবে আমরা জানি না টাকা থেকে কিছু না কিছু তো তারা অবশ্যই সেখানে ব্যয় করবে তবে তাদের যে বিজনেস সাইকেলটা আছে কি এখনো ভাঙেনি আসবে সেই টাকা দিয়ে দেব আর জিতের ইনভেস্টমেন্টে পাচ্ছে এটা হয়তো তারা অন্য কোন একটা জায়গায় স্পেন্ট করবে সেটা বলতে বুঝাতে তারা হয়তো নতুন নতুন নতুন নতুন 

এখন কথা হচ্ছে যমুনার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তারা বলছে যমুনা ফিউচার পার্ক যেহেতু বাংলাদেশের ওয়ান অফ দা লারজেস্ট শপিং মল তো তারা এখন চাচ্ছে অনলাইনে ওয়ান অফ দা লার্জেস্ট ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম এর সাথে যুক্ত হতে কারণ হিসেবে পাবেন কিন্তু বেশিদিন থাকবে না বা অবচেতন মানুষ বেশি দিলে পাশে এসে দাঁড়ায় তখন কিন্তু অভিনয় ভবিষ্যৎটা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় যে তারা আরো দীর্ঘদিন বাংলাদেশের বিজনেস করবেন 

অনেকের প্রশ্ন করছে এই ইনভেস্টমেন্টের পরেই বাংলাদেশের অ্যামাজন হয়ে যাবে কিনা..?

অ্যামাজনের বিজনেস মডেল টা ভিন্ন যদিও দুইটাই ইকমার্স সাইট দুইটা কোম্পানি কম্পিটিশন হবে বিশেষ করে দুইটা বিজনেস মডেল জনের সাথে কম্পেয়ার করতে পারি বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্ম কম্পিটিশন কিন্তু অনেক বেশি মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে তারা যখন কম্পিটিশন করবে তখন দারাজ ও কিম্তু কোম্পানির মধ্যে যখনই কম্পিটিশন হবে তখন মাঝখান থেকে মিনার হবে একচুয়ালি আমরা যারা আছি তারা লাভবান হবো

এক্সাইটেড উদ্যোগে আমার একটা জায়গাতেই কনসালটেন্ট নিরিবিলি তাদের ঠিকমতো মেন্টেন করতে পারবে না কারণ এখন পর্যন্ত তাদের নিয়ে কিন্তু একটা কোটেশন হয়েছে যে তারা প্রমিস রাখতে পারেনা যে সময়ের মধ্যে তারা প্রোডাক্ট কিংবা রিফান্ড দেওয়ার কথা বলে সেই সময়ের মধ্যে তারা দিতে পারে না যদি তারা এই প্রমিস ডে রক্ষা করতে পারে অ্যাক্লিজ দেরি হলেও সেটা খুব মিনিমাম যদি হয় তাহলে কিন্তু হিভিলি সাসটেইন করবে বাট তুমি যদি না রাখতে পারে যত কোটি কোটি টাকার জমি মার্কেটিং এন্ড শপিং করতে পারবেনা এইছিল আজকের প্রতিবেদন আশা করি এটি আপনাদের ভালো লেগেছে যদি ভালো লেগে থাকে, তাহলে আমাদের সাইট এ আবার আসবেন

FOKiNNi.com

Post a Comment

Previous Post Next Post